reorder disabled_by_default

বিমানবন্দরে কঙ্গনাকে চড় মারলেন নিরাপত্তাকর্মী

Update : 07 Jun 2024 - 9:09 AM    |     পঠিত হয়েছে: 14 বার

বিনোদন ডেস্ক :

বলিউড অভিনেত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য কঙ্গনা রনৌতকে এক নারী নিরাপত্তাকর্মী চড় মেরেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই অভিনেত্রী তার পরিবারের সাথে দিল্লি যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। অভিযুক্ত ওই নিরাপত্তাকর্মীর নাম কুলবিন্দর কৌর। তিনি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বিকেলে চণ্ডীগড় থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন কঙ্গনা। স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা নাগাদ বিস্তারার বিমানে ওঠার কথা ছিল তার। সেখানেই নিরাপত্তাজনিত কারণে তল্লাশির সময়ে ওই নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে অভিনেত্রীর তর্কবিতর্ক হয় বলে অভিযোগ।

বিমানবন্দরে তল্লাশির সময়ে নিজের মোবাইল ফোনটি নির্দিষ্ট ট্রে-তে রাখতে রাজি হননি কঙ্গনা। তাতে আপত্তি করেন নিরাপত্তারক্ষী। তিনি অভিনেত্রীকে জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার নিয়ম অনুযায়ী, মোবাইল ওই ট্রে-তে রাখতে হবে। তার জেরেই ঝামেলা শুরু হয়। বিমানবন্দরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

কঙ্গনা ওই নারী নিরাপত্তারক্ষীকে ধাক্কা মারেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপরেই ওই নিরাপত্তারক্ষী তাকে চড় মারেন।

সূত্রের খবর, দিল্লিতে নেমে সিআইএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল নীনা সিংহ এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন কঙ্গনা। চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে কী কী ঘটেছে, তা কর্মকর্তাদের কাছে ব্যাখ্যা করেন। নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগও করেছেন তিনি।

কঙ্গনার তার অভিযোগ, ওই নারী নিরাপত্তাকর্মী কৃষক আন্দোলনের সমর্থক। তাই তাকে আক্রমণ করেছেন।

একটি ভিডিওতে কুলবিন্দর কৌরকে বলতে শোনা যায়, তার মা কৃষকদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। তখন রনৌত এক বিবৃতি বলেছিলেন, ওই মহিলারা ১০০ টাকার জন্য প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন। কৃষকদের বিক্ষোভ নিয়ে অভিনেত্রীর এমন বক্তব্যে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন বলেও জানান।‌‌

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। বিষয়টি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স তদন্ত করছে।

এদিকে হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কাউকে ক্ষতি করার অধিকার কারও নেই।

এই বিভাগের আরও খবর