reorder disabled_by_default

চতুর্থ ধাপে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন যারা

Update : 06 Jun 2024 - 8:26 AM    |     পঠিত হয়েছে: 5 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

বুধবার (৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। সন্ধ্যার পর থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একজন, ভাইস চেয়ারম্যান ৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ভালুকা (ময়মনসিংহ): জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হাজী রফিকুল ইসলাম রফিক আনারস প্রতীক নিয়ে ৪৮ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তুফা দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৩৪ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়েছেন।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন বাদল আনারস প্রতীক নিয়ে ৭১ হাজার ৩০৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন দীপু পেয়েছেন ১৯ হাজার ৭৪৫ ভোট।

নান্দাইল (ময়মনসিংহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহান দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৪৬ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এমদাদুল হক ভূঁইয়া আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৫৮৭ ভোট।

বদরগঞ্জ (রংপুর): এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে টানা তৃতীয়বারের মতো বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুইট। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাসান তবিকুর চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৫২ ভোট।

তারাগঞ্জ (রংপুর): তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা আনিছুর রহমান লিটন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম মার্শাল মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৮৬ ভোট।

ছাগলনাইয়া (ফেনী): এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মজুমদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৫৪ হাজার ৯২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী এএসএম সহিদ উল্ল্যাহ মজুমদার পেয়েছেন ১ হাজার ৩৪৯ ভোট।

যশোর (সদর): এ উপজেলায় বেসরকারি ফলাফলে যশোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৫৭ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফতেমা আনোয়ার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬১০ ভোট।

কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ): কামারখন্দ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন চৌধুরী। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সেলিম রেজা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৭৮ ভোট।

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) : এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে গোলাম হোসেন শুভন সরকার ঘোড়া প্রতীকে ৭০ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইমরুল হোসেন তালুকদার ইমন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮০৫ ভোট।

নন্দীগ্রাম (বগুড়া): এ উপজেলায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪১ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৫১ ভোট।

ধুনট (বগুড়া) ৪০ হাজার ৬০ ভোটে আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আসিফ ইকবাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টিআইএম নুরুন্নবী তারিক মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৬২ ভোট।

বোয়ালমারী (ফরিদপুর): উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম.এ. মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ২৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী জেলা যুবলীগের সদস্য শরীফ মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান লিটু পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৫৫ ভোট।

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর): আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কাজী মনিরুল হক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী জেলা যুবলীগের সদস্য ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে.এম.জাহিদুল হাসান পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৭৮ ভোট।

বাঘা (রাজশাহী): এ উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের লায়েব উদ্দিন লাভলু। তিনি পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের মো. রোকনুজ্জামান রেন্টু পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৯৯ ভোট।

চারঘাট (রাজশাহী): এ উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের কাজী মাহমুদুল হাসান। তিনি পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের ফকরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪১ ভোট।

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর): উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে চিংড়ি প্রতীক নিয়ে ৬২ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন খাজে আহ্মেদ মজুমদার। ভাইস চেয়ারম্যান পদে তালা প্রতীক নিয়ে ৫৫ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আকবর হোসেন মনির। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ক্যামেরা প্রতীক নিয়ে ৪৮ হাজার ৬৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজুদা বেগম।

কচুয়া (চাঁদপুর): টেলিফোন প্রতীক নিয়ে ৩৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মো. মাহবুব আলম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে ৪৪ হাজার ৮৯৯ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ শাহ জালাল। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফুটবল প্রতীক নিয়ে ২৭ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জোৎস্না আক্তার।

দাকোপ (খুলনা): আবুল হোসেন ৩৬ হাজার ৩২৯ ভোট পেয়ে উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
বটিয়াঘাটা (খুলনা): এ উপজেলায় মো. মোতাহার হোসেন ৩৩ হাজার ৭৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

রূপসা (খুলনা): এ উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন এস এম হাবিবুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৭৭ ভোট।

বাবুগঞ্জ (বরিশাল): বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোসা. ফারজানা বিনতে ওহাব আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার খালেদ হোসেন স্বপন পেয়েছেন ২৫ হাজার ১১৪ ভোট।

উজিরপুর (বরিশাল): এ উপজেলায় কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুর রহমান ইকবাল।

বানারীপাড়া (বরিশাল): এ উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী দোয়াত-কলম প্রতীকের গোলাম ফারুক ৩৪ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা): এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া জয়ী হয়েছেন। তিনি ঘোরা প্রতীক নিয়ে ৩৭ হাজার ৭০টি ভোট পেয়েছেন।

শান্তিগঞ্জ সুনামগঞ্জ): এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন সাদাত মান্নান অভি। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে ৪০ হাজার ৯শ ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

আমতলী (বরগুনা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এলমান উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৯১ ভোট।

তালতলী (বরগুনা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু আনারস প্রতীক নিয়ে ২০ হাজার ৩৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকততম প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজবিউল কবির জোমাদ্দার পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৩ ভোট।

বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ): এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন রেজাউল হক কাজল। তিনি পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১১২ ভোট।

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ): এ উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন আবুল মনসুর (কাপ পিরিচ প্রতীক)। ৯১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ২০০ ভোট। সহিংসতার কারণে একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৬৩৬।

পার্বতীপুর (দিনাজপুর): এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাফিজুল ইসলাম প্রমানিক। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ১১৬ ভোট।

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর): এ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আতাউর রহমান মিল্টন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৬২ ভোট।

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর): এ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তাজওয়ার মোহাম্মদ ফাহিম। ঘোড়া প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৩১ ভোট।

প্রসঙ্গত, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৮ মে ১৩৯ উপজেলায়, দ্বিতীয় ধাপে ২১ মে ১৫৬ উপজেলায় এবং তৃতীয় ধাপে ২৯ মে ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্থ ধাপে ৫ জুন ৬০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ২০ উপজেলায় ভোট হবে ৯ জুন।

এই বিভাগের আরও খবর